সবাইতো সুখী হতে চায়………….। সেই বিখ্যাত গান। কিন্তু ক’জনইবা সুখী হয়? আসলেই, সবাই চায় সুখী হতে। কিন্তু জীবনের নানা
টানাপোড়েনের মধ্যে সুখ জিনিসটি অনেকের অধরাই থেকে যায়। সুখ থাকে সুখের জায়গায়। আর জীবন এগিয়ে যায় তার নিজস্ব গতিতে।
সুখ একটি মানসিক অবস্থার নাম, যা ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে অর্জন করা যায়। আর মানসিক অবস্থা নির্ভর করে পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর। যেমন ধরুন, আপনার অফিস। সেখানকার কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে যদি আপনার সম্পর্ক ইতিবাচক না হয় তাহলে পুরো অফিসটাকেই মনে হবে কারাগারের মতো। যাই হোক, সবাই সুখের পেছনে ছুটছে, আমরাও ছুটছি। সুখ আমাদের অর্জন করতেই হবে। আসুন, জেনে নেই জীবনকে সুখময় করে তোলার কয়েকটি টিপ্স।
১. সঠিক ক্যারিয়ার বাছাই করুন
অনেকেই আছেন বাবা-মা, শিক্ষক কিংবা বড় ভাইবোনের মতানুযায়ী ক্যারিয়ার বাছাই করেন। এক্ষেত্রে অনেকেই কর্মজীবনে সুখী হতে Continue reading →
২৩ এপ্রিল বাংলাদেশের একটি খ্যাতনামা দৈনিকের ভেতরের পাতার একটি সংবাদ শিরোনামে চোখ আটকে গেল। বক্স আইটেম করে
ছাপানো সংবাদটির শিরোনাম ‘পুলিশ কর্মকর্তার মহানুভবতায়-’। সংবাদটি শুরু করা হয়েছে ঠিক এভাবে “মানুষ, মানুষের জন্য। আবার তা প্রমাণ করলেন মিরপুর বিভাগের উপ কমিশনার আনোয়ার হোসেন।…..”। সংবাদে বলা হয়েছে, আশুলিয়া থানার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম, সারা রাত ধরে স্ত্রীর ওপর অমানবিক নির্যাতনের পর বিবস্ত্র অবস্থায় তাকে ঘর থেকে বের করে গাড়ির চালক মতিউর রহমানের হাতে তুলে দেয়। গাড়ির চালকও মহিলাটিকে নিয়ে ঢাকায় আসার পথে তার ওপর নির্যাতন চালায় এবং শ্লীলতাহানি করে। Continue reading →
বেসরকারী মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ সম্প্রতি তাদের এক রিপোর্টে বলেছে, ১ জানুয়ারি ২০০৯ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত ৯৭ জন লোক বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক্রসফায়ারে’ মারা গেছে ৮৩ জন। এরপর ১ অক্টোবর থেকে প্রতিদিনই গড়ে ২/৩ জন করে ক্রসফায়ারের শিকার হচ্ছে। ৫ অক্টোবর ভোর রাত্রে রাজধানীতেই নিহত হয়েছেন ৩ জন। এভাবে প্রতিদিনই দেশের কোন না কোন জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেই চলছে।
১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে প্রথম আলোর এক রিপোর্টে বলা হয়েছে গত ৫ বছরে এ ধরনের বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে প্রায় দেড় হাজার। যা সত্যিই উদ্বেগজনক। কারণ, আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যা কোন সভ্য সমাজে কাম্য নয়।
উদ্বেগের আরো কারণ আছে, যখন এ ধরনের ঘটনার শিকার হন নিরাপরাধ লোকেরা কিংবা ঘটনা ঘটানো হয় সুপরিকল্পিতভাবে অথবা ক্রসফায়ারের নামে পুলিশই তাদেরকে হত্যা করে। এ ধরনের ঘটনা এখন প্রায়ই ঘটছে অভিযোগ আসছে। Continue reading →