<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>আবর্তন</title>
	<atom:link href="http://abortonbd.com/?feed=rss2" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://abortonbd.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sat, 12 Jun 2010 17:12:01 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.0.1</generator>
		<item>
		<title>সিনেমা হাইলাইটস : দ্য ডার্ক নাইট এবং আয়রনম্যান</title>
		<link>http://abortonbd.com/?p=23</link>
		<comments>http://abortonbd.com/?p=23#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 12 Jun 2010 17:10:25 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://abortonbd.com/?p=23</guid>
		<description><![CDATA[বর্তমান বিশ্বে সুপারহিরো ফিল্ম দর্শকদের কাছে একটি বিশেষ আকর্ষণ, সিনেমা নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের কাছে তো বটেই। সুপারহিরো সিনেমার মূল বৈশিষ্ট্য হলো- এখানে মূল চরিত্র বা নায়ক বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন হয় এবং তার প্রধান লড়াই অধিকতর ক্ষমতাসম্পন্ন ভিলেনের বিরুদ্ধে। সাধারণত মানব সমাজের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী ভিলেনকে প্রতিরোধ করার মাধ্যমে নায়ক পুরো মানবজাতিকেই রক্ষা করে। বেশির ভাগ সুপারহিরো [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান বিশ্বে সুপারহিরো ফিল্ম দর্শকদের কাছে একটি বিশেষ আকর্ষণ, সিনেমা নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের কাছে তো বটেই। সুপারহিরো <a href="http://abortonbd.com/wp-content/uploads/dark-knight-joker.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-27" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="dark-knight-joker" src="http://abortonbd.com/wp-content/uploads/dark-knight-joker.jpg" alt="" width="216" height="159" /></a>সিনেমার মূল বৈশিষ্ট্য হলো- এখানে মূল চরিত্র বা নায়ক বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন হয় এবং তার প্রধান লড়াই অধিকতর ক্ষমতাসম্পন্ন ভিলেনের বিরুদ্ধে। সাধারণত মানব সমাজের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী ভিলেনকে প্রতিরোধ করার মাধ্যমে নায়ক পুরো মানবজাতিকেই রক্ষা করে। বেশির ভাগ সুপারহিরো সিনেমা কমিক চরিত্রের ওপর নির্ভর করে নির্মিত হলেও মৌলিক চরিত্রের দেখাও পাওয়া যায়। চল্লিশের দশকে টিভি’র জন্য সুপারহিরো সিনেমা নির্মিত হয়। তবে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সুপারহিরো ফিল্ম হলো ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত রিচার্ড ডোনার পরিচালিত মুভি সুপারম্যান। প্রধানত অ্যাকশননির্ভর চলচ্চিত্র হিসেবে সুপারহিরো সিনেমা জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও শিল্পের অন্যান্য ক্ষেত্রেও তারা অবদান রাখছে। আর এ কারণেই অস্কারসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলোতে অন্যান্য সিনেমার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে সুপার হিরো ফিল্ম। সাম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত দুটো সুপারহিরো ফিল্ম দ্য ডার্ক নাইট এবং আয়রনম্যান নিয়ে এ সংখ্যার আয়োজন।  লিখেছেন <em>নাজমুল হাসান দারাশিকো</em></p>
<h3>দ্য ডার্ক নাইট</h3>
<p>দ্য ডার্ক নাইট মূলত ব্যাটম্যান সিরিজের দ্বিতীয় সিকুয়েল, প্রথম পর্বের নাম ছিল ব্যাটম্যান বিগিনস। দুটো ছবিই পরিচালনা করেছেন ক্রিস্টোফার নোলান। বর্তমান সময়ে প্রভাবশালী চলচ্চিত্রকারদের মধ্যে ক্রিস্টোফার নোলান অন্যতম। নোলান প্রধানত থ্রিলারধর্মী সিনেমা নির্মাণ করেন। দ্য ডার্ক নাইট মুভিটির প্রধান চরিত্র ব্যাটম্যান, যার পোশাকি নাম ব্রুস ওয়েন। কিছু কলাকৌশলের মাধ্যমে তিনি বিশেষ কিছু ক্ষমতা অর্জন করেন এবং অপরাধীদের পিছু তাড়া করে বেড়ান। দ্য ডার্ক নাইট মুভিতে ভিলেন চরিত্রে আবির্ভূত হয় জোকার। অন্য মানুষের মতোই একজন মানুষ জোকার কিন্তু তার প্রধান লক্ষ হলো ব্যাটম্যানকে হত্যা করা। অন্য দিকে ব্যাটম্যানকে সহায়তা করার জন্য রয়েছে লেফট্যানেন্ট জেমস গর্ডন, ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি হারভে ডেন্ট।<br />
দ্য ডার্ক নাইট মুভির পরিচালনায় ক্রিস্টোফার নোলান থাকলেও এর চিত্রনাট্য রচনায় তার ভাই জোনাথন নোলানও সহায়তা করেছে। এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে দশটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন নোলান, প্রায় সব ক’টিতেই তার ভাই সহযোগিতায় আছেন। এর আগে নোলান মেমেন্টো এবং প্রেস্টিজ নামের দুটি মুভি পরিচালনা করে দর্শকদের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হন। আমির খান অভিনীত গজিনি মুভিটির থিম এই মেমেন্টো থেকেই নেয়া। মুভিতে জোকার চরিত্রটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত কমিক বই থেকে ধার করা। জোকার চরিত্রে হিথ লেজার অভিনয় করেছেন যিনি সিনেমার মুক্তির আগেই মাদকসংক্রান্ত কারণে হঠাৎ মারা যান। ফলে সিনেমা মুক্তি পাওয়ার আগেই দ্য ডার্ক নাইট অনেক আলোচনার জন্ম দিতে সক্ষম হয়। অবশ্য সব আশঙ্কার অবসান ঘটিয়ে মুভিটি ২০০৮ সালের জুলাইয়ে মুক্তি পায় এবং ব্যাপক সফলতা অর্জন করে।<br />
প্রায় ১৮৫ মিলিয়ন ডলারের বাজেটে নির্মিত এই মুভি সারা বিশ্বে এত বিপুল অর্থ উপার্জন করে যে বর্তমানে সবচেয়ে উপার্জনকারী মুভির তালিকায় এর অবস্থান পঞ্চমে। সিনেমা মুক্তির আগেই টিকিট বিক্রি করে রেকর্ড গড়তে সক্ষম হয়েছিল মুভিটি। অবশ্য এই উপার্জনের পেছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। মুভিতে ব্যাটম্যানের ব্যবহৃত গাড়িটি এবং মোটরবাইক বিশেষভাবে নির্মিত। ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন রকম স্পেশাল ইফেক্ট। অবশ্য শুধু অর্থই উপার্জন করেনি মুভিটি, পাশাপাশি জিতে নিয়েছে অস্কারের মতো পুরস্কারও। সেরা শব্দ সম্পাদনা এবং সেরা সাপোর্টিং অভিনেতার পুরস্কার জিতে নিয়েছে জোকার চরিত্রে হিথ লেজার। মুভিটিতে জোকার চরিত্রে হিথ লেজার ছাড়াও অভিনয় করেছেন ব্যাটম্যান চরিত্রে ক্রিশ্চিয়ান বেল, হার্ভে ডেন্ট চরিত্রে আরন হেকার্ট।</p>
<h3>আয়রনম্যান</h3>
<p>সাম্প্রতিক সময়ে আয়রনম্যান ছবির দ্বিতীয় পর্ব আয়রনম্যান ২ বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। প্রথম পর্বের সাফল্যের পরে দ্বিতীয় পর্বটিও যথেষ্ট সাড়া পেয়েছে। আয়রনম্যান আরেকটি সুপার হিরো মুভি এবং এর পরিচালনায় আছেন জন ফ্যাভ্রু। পরিচালক হিসেবে ফ্যাভ্রু খুব একটা পরিচিত নন, এর আগে তার কোনো ছবি এতটা আলোড়ন তুলতে পারেনি। আয়রনম্যান নামের মার্ভেল কমিকসের চরিত্রকে সিনেমায় রূপ দিয়েছেন এই পরিচালক। আয়রনম্যান একজন সাধারণ মানুষ মাত্র, কিন্তু নিজের উদ্ভাবনী শক্তি এবং প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তিনি নিজেকে আয়রনম্যানে রূপান্তর করেন। প্রকৃতপক্ষে আয়রনম্যান লোহার তৈরি বর্ম পরিধান করে যা তাকে উড়তে সাহায্য করে। আয়রনম্যান চরিত্র টনি স্টার্ক একজন ধনকুবের। উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি একটি কোম্পানির মালিক হন যেখানে বিভিন্ন রকমের সামরিক অস্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। এ ব্যাপারে সহযোগিতা করে তার বাবার বন্ধু ওবাদিয়া স্ট্যান। আফগানিস্তানে স্টার্কের কোম্পানি নির্মিত একটি মিসাইল বিক্রি করতে গিয়ে সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে বন্দী হয়ে তাদের অন্যায় অভিযোগ থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যেই স্টার্ক এবং সহকারী বিজ্ঞানী তৈরি করে ফেলেন উড়তে সক্ষম আয়রনম্যান কিন্তু এ দিকে তারই বাবার পুরনো পার্টনার স্ট্যান তাদের কোম্পানির তৈরি অস্ত্রপাতি বিক্রি করে সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর কাছে। আর এ নিয়েই এগিয়ে চলে আয়রনম্যান ছবির কাহিনী।<br />
মার্ভেল স্টুডিও মুভিটির কাজ শুরু করে ২০০৬ সালে যদিও সেই ১৯৯০ সাল থেকে মুভিটির ডেভেলপমেন্টের কাজ করেছে বিভিন্ন স্টুডিও। অন্যান্য সুপারহিরো সিনেমার সাথে পার্থক্য রাখার জন্যই এই মুভির কাহিনীক্ষেত্র নিউইয়র্ককে বাদ দিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। আয়রনম্যান সিনেমার ক্ষেত্রে কাহিনী তৈরিতে এতটা মনোযোগ দেয়া হয়েছিল যে সংলাপ নির্বাচনে অভিনেতাদের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছিল। মুভিতে আয়রনম্যান স্টার্কের ভূমিকায় অভিনয় করেছে রবার্ট ডাউনি জুনিয়র, ভিলেন স্ট্যান চরিত্রে জেফ ব্রিজেস এবং আয়রনম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে লাস্যময়ী নায়িকা গিনেথ প্যালট্রো।<br />
আয়রন মুভিতেও অন্যান্য সুপার হিরো সিনেমার মতো আয়রনম্যান সিনেমাতেও প্রচুর স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করা হয়েছে। স্পেশাল ইফেক্টের জন্য আইএমএল নামক প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল, তারা এর আগে ট্রান্সফরমারস, পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান মুভির মতো ছবিতে ইফেক্ট তৈরি করেছে। ১৪০ মিলিয়ন ডলার বাজেটে নির্মিত মুভিটির প্রচারের জন্য প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছিল। মুক্তি পাওয়ার পর ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়, অনেক সমালোচকই একে সফল মুভি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মুভিটি ২০০৮ সালের অস্কারে সেরা শব্দ সম্পাদনা এবং সেরা ভিজুয়াল এফেক্টের জন্য মনোনীত হলেও দ্য ডার্ক নাইট এবং কিউরিয়াস কেস অব বেঞ্জামিন বাটন মুভির কাছে পরাজয় বরণ করে। এই সাফল্যই আয়রনম্যান-২-কে বর্তমানে বাজারে নিয়ে এসেছে এবং সফলতার সাথে দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করছে।<br />
<em>http://darashiko.info/</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://abortonbd.com/?feed=rss2&amp;p=23</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>﻿ যমুনা টিভির সম্প্রচারের দাবিতে সরকারের কাছে আবেদন</title>
		<link>http://abortonbd.com/?p=19</link>
		<comments>http://abortonbd.com/?p=19#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 12 Jun 2010 17:07:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://abortonbd.com/?p=19</guid>
		<description><![CDATA[যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যত শিগগির সম্ভব, চ্যানেলটির সম্প্রচার শুরুর জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, যেকোনো মুহূর্তে এই বেসরকারি চ্যানেলটির পাঁচ শতাধিক কর্মী বেকার হয়ে যেতে পারেন। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এ আবেদন জানান। এ সময় যমুনা টেলিভিশনের বার্তাপরিচালক শাহ আলমগীর, পরিচালক সম্প্রচার বেলাল আমান, বার্তাপ্রধান নাজমুল [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যত শিগগির সম্ভব, চ্যানেলটির সম্প্রচার শুরুর জন্য সরকারের কাছে আবেদন <a href="http://abortonbd.com/wp-content/uploads/jamuna-tv.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-20" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="jamuna-tv" src="http://abortonbd.com/wp-content/uploads/jamuna-tv.jpg" alt="" width="220" height="180" /></a>জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, যেকোনো মুহূর্তে এই বেসরকারি চ্যানেলটির পাঁচ শতাধিক কর্মী বেকার হয়ে যেতে পারেন।<br />
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এ আবেদন জানান। এ সময় যমুনা টেলিভিশনের বার্তাপরিচালক শাহ আলমগীর, পরিচালক সম্প্রচার বেলাল আমান, বার্তাপ্রধান নাজমুল আশরাফ, অনুষ্ঠানপ্রধান সুপন রায় ও প্রধান বার্তাসম্পাদক শাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।<br />
যমুনা টেলিভিশন চালু করার দাবিতে তাঁরা আজ মাসব্যাপী কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন।<br />
এর মধ্যে রয়েছে ১৪ জুন বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, ১৪-১৮ জুন পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় ও তথ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ, ১৯ জুন বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংহতি সমাবেশ, ২০-২৪ জুন গণমাধ্যমের কর্মীসহ নানা পেশাজীবী ব্যক্তিদের বিবৃতি ও স্বাক্ষর সংগ্রহ, ২৫ জুন বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি, ৬ জুলাই সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে সমাবেশ ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://abortonbd.com/?feed=rss2&amp;p=19</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিদ্যুতের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে অবরোধ হামলা ভাঙচুর</title>
		<link>http://abortonbd.com/?p=16</link>
		<comments>http://abortonbd.com/?p=16#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 12 Jun 2010 17:02:45 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://abortonbd.com/?p=16</guid>
		<description><![CDATA[ঢাকা, ১২ জুন (শীর্ষ নিউজ ডেস্ক): বিশ্বকাপের দক্ষিণ কোরিয়া-গ্রীস ও আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়ার খেলা দেখতে না পেরে  রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে সমর্থকরা। এর মধ্যে রাজধানীর দয়াগঞ্জ এলাকায় পুলিশের রিকুইজিশনকৃত গাড়িসহ ৫টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলা চালানো হয় স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে। এদিকে সায়দাবাদ রেলক্রসিংয়ের কাছে সড়কে ব্যারিকেড দেয় বিক্ষুব্ধ দর্শকরা। এসময় [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঢাকা, ১২ জুন (শীর্ষ নিউজ ডেস্ক): বিশ্বকাপের দক্ষিণ কোরিয়া-গ্রীস ও আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়ার খেলা দেখতে না পেরে  রাজধানীসহ <a href="http://abortonbd.com/wp-content/uploads/Electricity.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-17" style="margin-left: 8px; margin-right: 8px;" title="Electricity" src="http://abortonbd.com/wp-content/uploads/Electricity.jpg" alt="" width="267" height="200" /></a>দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে সমর্থকরা। এর মধ্যে রাজধানীর দয়াগঞ্জ এলাকায় পুলিশের রিকুইজিশনকৃত গাড়িসহ ৫টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলা চালানো হয় স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে। এদিকে সায়দাবাদ রেলক্রসিংয়ের কাছে সড়কে ব্যারিকেড দেয় বিক্ষুব্ধ দর্শকরা। এসময় রাস্তার দুই দিকে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা ৪/৫ টি বাস ভাঙচুর করে। সায়দাবাদ জনপদ মোড়ের কাছে ২টি বাসে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনার পর পুলিশের সঙ্গে সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সময় পুরান ঢাকার বংশালে লোডশেডিংয়ের সময় এলাকাবাসী বিদ্যুতের দাবিতে সাব-স্টেশন ঘেরাও করে। এছাড়া বিদ্যুতের দাবিতে কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, শ্যামপুর, গেণ্ডারিয়া, দারুস সালাম, সবুজবাগ, কদমতলী এলাকাসহ বেশ কিছু এলাকায় ভাঙচুর হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শীর্ষ নিউজ ডটকমের রাজশাহীর <strong>স্টাফ রিপোর্টার</strong> জানান, লোডশেডিং এর কারণে খেলা দেখতে না পেরে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীরা। এ সময় তারা কমপক্ষে ৫টি বাস ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে বিক্ষুদ্ধ জনতার রোষানলে পড়ে। সড়ক অবরোধে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যাত্রীবাহী বাস ও গাড়ি আটকা পড়ে। এসময় তারা স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক মনিরুজ্জামানের বাড়ি ঘেরাও করে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>নওগাঁ প্রতিনিধি</strong> জানান, নওগাঁর সাপাহার উপজেলার সিএনবি মোড়ে অবস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও কাগজপত্রে অগ্নিসংযোগ করে। জনতার ভয়ে ওই অফিসের কর্মকর্তা কমচারীরা পালিয়ে রক্ষা পেলেও তারা এক কর্মকর্তার মোটরসাইকেল অফিসের ভিতর থেকে বের করে আগুন ধরিয়ে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বগুড়া প্রতিনিধি</strong> জানান, দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে বগুড়া। জেলার বিভিন্ন বিদ্যুৎ অফিসে তাই হামলার ঘটনা ঘটছে। বিক্ষুব্ধ দর্শক সড়ক অবরোধ করে ভাঙচুর করছে গাড়ি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাজবাড়ী প্রতিনিধি</strong> জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজবাড়ী-ফরিদপুর মহাসড়কে বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা গাছ ফেলে ব্যারিকেড দেয়। এসময় মহাসড়কের দুই দিকে প্রায় শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মহাসড়ক থেকে গাছ সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>টাঙ্গাইল প্রতিনিধি</strong> জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে না পেরে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>নোয়াখালী প্রতিনিধি</strong> জানান, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার সময় বিক্ষুব্ধ গ্রাহকদের বিদুৎ অফিসে হামলার আশঙ্কা করছে নোয়াখালী পল্লী বিদুৎ সমিতি। ইতিমধ্যে খেলা দেখতে না পেরে কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া ও চাটখিলে গ্রাহকদের হামলার ঘটনা সে আশঙ্কা আরো বাড়িয়ে তুলেছে। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৮টি উপকেন্দ্র ও ২৯টি স্থাপনার নিরাপত্তা চেয়ে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন করেছে। শনিবার রাতে নোয়াখালী পুলিশ সুপার হারুন উর রশিদ হাজারী ঘটনার সত্যতা ¯^xKvi করে শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, নিরাত্তার জন্য ইতিমধ্যে কয়েকটি বিদ্যুত অফিসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://abortonbd.com/?feed=rss2&amp;p=16</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>রাজনৈতিক ওসিদের দৌরাত্ম্য: ভেঙে পড়েছে পুলিশের চেইন অব কমান্ড</title>
		<link>http://abortonbd.com/?p=12</link>
		<comments>http://abortonbd.com/?p=12#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 04 Jun 2010 17:37:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[তাৎক্ষণিক]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://abortonbd.com/?p=12</guid>
		<description><![CDATA[রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ক্ষমতাবান ওসিদের দৌরাত্ম্যে পুলিশের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সামনে এমন অভিযোগ করেছেন খোদ পুলিশেরই মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নূর মোহাম্মদ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৭তম বৈঠকে এই অভিযোগ করেন তিনি। তবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু দাবি করেছেন, কোনো থানার ওসির বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। সংসদ সচিবালয় থেকে প্রাপ্ত নথিতে প্রকাশ, [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ক্ষমতাবান ওসিদের দৌরাত্ম্যে পুলিশের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সামনে এমন অভিযোগ করেছেন খোদ পুলিশেরই মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নূর মোহাম্মদ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৭তম বৈঠকে এই অভিযোগ করেন তিনি। তবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু দাবি করেছেন, কোনো থানার ওসির বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। সংসদ সচিবালয় থেকে প্রাপ্ত নথিতে প্রকাশ, সভায় হুইপ মির্জা</p>
<p style="text-align: justify;">আযম কক্সবাজার ও টঙ্গী থানার ওসির ব্যাপারে অভিযোগ উত্থাপন করে আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর জবাব দিতে গিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে  আইজিপি নূর মোহাম্মদ বলেন, ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকজন ওসি এতই প্রভাবশালী যে তাদের বিরুদ্ধে এসপি, ডিআইজি পর্যন্ত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছেন না। তারা প্রভাবশালী মহলের প্রত্যক্ষ সহায়তায় জায়গা দখল থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে চলেছে। এ সময় পুলিশের উপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, পুলিশকে পুলিশের কর্মকর্তাদের সুপারভিশনে চলতে না দিলে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে ঘাটতি থেকেই যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আইজিপির এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বৈঠকেই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে অপরাধবান্ধব ওসিদের কর্মস্থল বদলসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ারও পরামর্শ দেয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু উপস্থিত থাকলেও তারা এ ব্যাপারে কোনো কথা বলেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশের সংস্থাপন শাখার এআইজির কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বৈঠকের সুপারিশ অনুযায়ী এ পর্যন্ত ঢাকার ৯ জন ওসির কর্মস্থল বদল করা হয়েছে। ৯ মে ৮ ওসিকে ঢাকার এক থানা থেকে আরেক থানায় বদলি করা হয় এবং এর আগে ১ জনকে পদোন্নতি দিয়ে গোয়েন্দা বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি বলেই দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র মতে, রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাবে ক্ষমতাবান ওসিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই উল্টো বিপাকে পড়ছেন। অনেক জায়গায় ওসিদের ইচ্ছাতেই বদল হচ্ছে তাদের কর্তারা। সূত্র আরো জানায়, শুধু ঢাকারই ১২শ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। একই কারণে তাদের বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, কোনো থানার ওসি বা অন্য কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে পুলিশের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে কি না জানতে চাইলে প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব বা পুলিশের চেইন অব কমান্ড রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিয়মিত দিক-নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। তবে র‌্যাব-পুলিশেরও ভুল ত্রুটি থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://abortonbd.com/?feed=rss2&amp;p=12</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বেগুনবাড়িতে এবার হেলে পড়েছে ৬তলা ভবন</title>
		<link>http://abortonbd.com/?p=10</link>
		<comments>http://abortonbd.com/?p=10#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 04 Jun 2010 17:36:46 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://abortonbd.com/?p=10</guid>
		<description><![CDATA[রাজধানীর বেগুনবাড়িতে ৬তলা একটি ভবন হেলে পড়েছে। বেগুনবাড়ি এলাকায় দুদিন আগে একটি পাঁচতলা ভবন ধসে ২৫ জনের প্রাণহানি হওয়ার পর ৬তলা ভবনটি হেলে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ভবনের বাসিন্দা ও আশেপাশের লোকজনের মধ্যে। সূত্র জানায়, উত্তর বেগুনবাড়ির ৪০/এ প্লটের ছয়তলা ভবনটি উত্তর দিকে হেলে পড়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজধানীর বেগুনবাড়িতে ৬তলা একটি ভবন হেলে পড়েছে। বেগুনবাড়ি এলাকায় দুদিন আগে একটি পাঁচতলা ভবন ধসে ২৫ জনের প্রাণহানি হওয়ার পর ৬তলা ভবনটি হেলে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ভবনের বাসিন্দা ও আশেপাশের লোকজনের মধ্যে। সূত্র জানায়, উত্তর বেগুনবাড়ির ৪০/এ প্লটের ছয়তলা ভবনটি উত্তর দিকে হেলে পড়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে ঠিক কবে ও কখন ভবনটি এভাবে হেলে পড়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">ভবনের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বেশ কয়েকদিন আগে ভবনটির সামান্য হেলে পড়ার বিষয়টি লক্ষ করলেও তারা তা গুরুত্ব দেয়নি। আজ শুক্রবার সকালে মনে হয়েছে, ভবনটি আরও একটু বেশি হেলে পড়েছে। তাই ভবনের বাসিন্দা ও আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভবন হেলে পড়ার কথা ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা শুক্রবার ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারা ভবন  থেকে অনেককে সরিয়ে নেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বেগুনবাড়ির পোস্ট অফিস গলির ১৮/বি b¤^i বাড়িটি ধসে পাশের কয়েকটি তিনতলা টিনশেড বাড়ির ওপর পড়ে। এতে ২৫ জন নিহত হয়। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ২১ জনকে।</p>
<p style="text-align: justify;"><em>শীর্ষ নিউজ ডটকম</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://abortonbd.com/?feed=rss2&amp;p=10</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ প্রস্তুতি</title>
		<link>http://abortonbd.com/?p=7</link>
		<comments>http://abortonbd.com/?p=7#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 04 Jun 2010 17:34:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[ক্যারিয়ার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://abortonbd.com/?p=7</guid>
		<description><![CDATA[২৪ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে ৫৪৬ জন লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত ২০০৯ সালের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে মোট ৮০টি MCQ প্রশ্ন এসেছে। এর মধ্যে কৃষি বিজ্ঞানের প্রশ্ন ছিল ৪৫টি, গণিতের প্রশ্ন ছিল ১৫টি, ইংরেজির প্রশ্ন ছিল ১০টি ও সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন ছিল ১০টি। আমরা আপনাদের প্রস্তুতিকে আরো সুন্দর [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">২৪ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে ৫৪৬ জন লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। <a rel="attachment wp-att-1230" href="http://abortonbd.com/?attachment_id=1230"><img title="bangladesh-agriculture" src="http://www.currentdiganta.com/wp-content/uploads/2010/05/bangladesh-agriculture.jpg" alt="" width="216" height="144" /></a>সর্বশেষ অনুষ্ঠিত ২০০৯ সালের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে মোট ৮০টি MCQ প্রশ্ন এসেছে। এর মধ্যে কৃষি বিজ্ঞানের প্রশ্ন ছিল ৪৫টি, গণিতের প্রশ্ন ছিল ১৫টি, ইংরেজির প্রশ্ন ছিল ১০টি ও সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন ছিল ১০টি। আমরা আপনাদের প্রস্তুতিকে আরো সুন্দর করার জন্য কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সাজিয়েছি এই বিভাগটি। অন্যান্য বিষয়ের জন্য ৩০তম বিসিএস প্রস্তুতিসহ আমাদের নিয়মিত আয়োজনগুলো অনুশীলন করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">* বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান- ২০.৮৩% (অর্থনৈতিক সমীক্ষা-০৯)।<br />
* বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু আবাদি জমির পরিমাণ- ০.১৫ একর।<br />
* বাংলাদেশ মোট চাষাবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-দুই কোটি এক লাখ ৯৪ হাজার একর।<br />
* বাংলাদেশে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শুরু হয় ১৯৫০ সালে।<br />
* স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।<br />
* চাষাবাদের সুবিধার্থে বাংলাদেশের ঋতুকে ভাগ করা হয়েছে দুই ভাগে। (রবি ও খরিপ ঋতু)<br />
* খরিপ শস্য বলতে বোঝায় গ্রীষ্মকালীন শস্য<br />
* রবি শস্য বলতে বোঝায় শীতকালীন শস্য<br />
* সার্ক কৃষি তথ্যকেন্দ্র অবস্থিত ফার্মগেট, ঢাকা<br />
* সার্ক কৃষি তথ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালে<br />
* SAIC-এর পূর্ণরূপ<br />
- SAARC Agricultural Information Center.<br />
* HYV-এর পূর্ণ রূপ<br />
- High Yield Variety.<br />
* ‘শস্যভাণ্ডার’ হিসেবে পরিচিত জেলা- বরিশাল<br />
* বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৭৪ সালে<br />
* জাতীয় বীজ পরীক্ষাগার অবস্থিত- গাজীপুর<br />
* বাংলাদেশের একমাত্র আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার অবস্থিত- ঈশ্বরদী, পাবনা<br />
* দেশের বৃহত্তম খাদ্য গুদাম অবস্থিত- মংলা, বাগেরহাট<br />
* দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাদ্য গুদাম অবস্থিত- ঈশ্বরদী, পাবনা<br />
* বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান<br />
* ধান হলো একবীজপত্রী উদ্ভিদ<br />
* পাখি ছাড়া ময়না হলো উন্নত জাতের ধান<br />
* বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় ১ অক্টোবর ১৯৭০ সালে<br />
* বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাম ব্রি (BRRI)<br />
* বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত জয়দেবপুর, গাজীপুর<br />
* ‘ইরাটম’ হলো এক ধরনের উন্নত জাতের ধান<br />
* ‘আলোক-৬২১০ হলো উচ্চফলনশীল ধান<br />
* ‘ব্রিশাইল’ হলো উচ্চফলনশীল ধান<br />
* বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় ময়মনসিংহ জেলায়<br />
* বাংলাদেশে গম চাষ হয় শীতকালে<br />
* বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাাদিত হয় রংপুর জেলায়<br />
* গম গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত নাশিপুর, দিনাজপুর<br />
* পাখি ছাড়া বলাকা ও দোয়েল হলো উন্নত জাতের গমের নাম<br />
* নতুন উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল গমের নাম শতাব্দী<br />
* ব্র্যাক উদ্ভাবিত হাইব্রিড ভুট্টার নাম উত্তরণ<br />
* বর্ণালী ও শুভ্র হলো উন্নত জাতের ভুট্টাবীজ<br />
* বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট জন্মে রংপুর জেলায়<br />
* পাট চাষের জন্য উপযুক্ত মাটি দোআঁশ মাটি<br />
* সোনালি আঁশের দেশ বলা হয় বাংলাদেশকে<br />
* বাংলাদেশের পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটি প্রতিষ্ঠিত ১৯৫১ সালে<br />
* বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত ঢাকার শেরেবাংলা নগরে<br />
* বাংলাদেশের পাট গবেষণা বোর্ড অবস্থিত মানিকগঞ্জে<br />
* পাট উৎপাদনে বিশ্বের প্রথম দেশ ভারত<br />
* পাট উৎপাদনে বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ বাংলাদেশ<br />
* পাট রফতানিতে বিশ্বের শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ<br />
* বাংলাদেশের দ্বিতীয় অর্থকরী ফসল চা<br />
* বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে<br />
* বাংলাদেশের প্রথম চা বাগান অবস্থিত সিলেটের মালনিছড়া<br />
* চা উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান নবম<br />
* চা উৎপাদনে প্রথম দেশ ভারত<br />
* চা রফতানিতে প্রথম দেশ শ্রীলঙ্কা<br />
* সফল ও অগ্রণী হলো উন্নত জাতের সরিষা<br />
* বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা জন্মে যশোর জেলায়<br />
* ‘রুপালি ও ডেলফোজ’ হলো উন্নত জাতের তুলা শস্য।<br />
* তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সদর দফতর ফার্মগেট, ঢাকা<br />
* তুলা উন্নয়ন বোর্ড কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন।<br />
* ‘সুমাত্রা’ ও ‘ম্যানিলা’ হলো উন্নত জাতের তামাক<br />
* বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৭ সালে<br />
* বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত ঈশ্বরদী, পাবনা<br />
* বাংলাদেশে আলু আনা হয় হল্যান্ড থেকে<br />
* বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আলু জন্মে মুন্সীগঞ্জে<br />
* আলু হলো বিশ্বের প্রধান কন্দাল ফসল<br />
* বাংলাদেশের প্রথম রাবার বাগান গড়ে ওঠে রামু, কক্সবাজার<br />
* বাংলাদেশে রাবার চাষ শুরু হয় ১৯৬৫ সালে<br />
* বাংলাদেশের রাবার জোন হিসেবে খ্যাত বাইশারী, বান্দরবান<br />
* বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫১ সালে<br />
* বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত ঈশ্বরদী, পাবনা<br />
* আখের জন্য ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ মাজরা পোকা<br />
* সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয় ১৯৬০ সালে<br />
* মাশরুম হলো এক ধরনের ছত্রাক<br />
* পৃথিবীর চিনির আঁধার বলা হয় কিউবাকে<br />
* চিনির রাসায়নিক নাম সুক্রোজ<br />
* বিশ্বের সবচেয়ে বেশি চিনি ব্যবহারকারী দেশ ভারত<br />
* বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন ও মধু সংগ্রহ করাকে বলা হয় এপিকালচার<br />
* বাংলাদেশের মসলা গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত বগুড়া<br />
* বাংলাদেশে রেশন গুঁটি চাষ বেশি হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ<br />
* সম্প্রতি বাংলাদেশে উদ্ভাবিত প্রথম হাইব্রিড টমেটোর নাম মিন্টু<br />
* ঝুমকা, সিধুর, শ্রাবণী হলো উন্নত জাতের টমেটো</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://abortonbd.com/?feed=rss2&amp;p=7</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মাহমুদুর রহমান ও দৈনিক আমার দেশ</title>
		<link>http://abortonbd.com/?p=4</link>
		<comments>http://abortonbd.com/?p=4#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 04 Jun 2010 17:31:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রবন্ধ-নিবন্ধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://abortonbd.com/?p=4</guid>
		<description><![CDATA[ফ র হা দ  ম জ হা র বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা মহাজোট সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বলা বাহুল্য, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে যে সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকারের কথা সাধারণত বলা হয়ে থাকে এবং দাবি করা হয় বাংলাদেশের সংবিধান নাকি সেই অধিকার স্বীকার করে­ সেই অধিকার আমরা প্রকাশ্যেই দলিত-মথিত হতে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<h3 style="text-align: justify;">ফ র হা দ  ম জ হা র</h3>
<p style="text-align: justify;">বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা মহাজোট সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বলা বাহুল্য, চিন্তা <a rel="attachment wp-att-1928" href="http://abortonbd.com/?attachment_id=1928"><img title="forhad-mazhar" src="http://www.currentdiganta.com/wp-content/uploads/2010/06/forhad-mazhar.jpg" alt="" width="199" height="243" /></a>ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে যে সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকারের কথা সাধারণত বলা হয়ে থাকে এবং দাবি করা হয় বাংলাদেশের সংবিধান নাকি সেই অধিকার স্বীকার করে­ সেই অধিকার আমরা প্রকাশ্যেই দলিত-মথিত হতে দেখলাম। নাগরিক ও মানবিক অধিকারের ফানুস সশব্দে ফুটা হয়ে গেল আমাদের চোখের সামনেই। স্রেফ গায়ের জোরে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আমার দেশ। তবুও যাঁরা মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতি ক্ষমতাসীনদের প্রতিশ্রুতিকে এখনো মূল্য দেন, তারা এর নিন্দা করবেন, নিন্দা করছেনও অনেকে। তবে এগুলো কদলির বাইরের খোসা। কাঁচকলার ভেতরতাও যে কাঁচকলা সেটা আমরা ক্রমে ক্রমে আরো বুঝব।<br />
এ কথা আমি স্বীকার করি, মাহমুদুর রহমান আমার বন্ধু। কিন্তু এই বন্ধুত্বের চরিত্র আলাদা। আমাদের সংস্কৃতিতে বন্ধুত্বকে আমরা ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে মনে করি। কিন্তু মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব কোন ব্যক্তিগত কারণে গড়ে ওঠেনি। সেটা গড়ে উঠেছিল রাজনৈতিকতার সংজ্ঞায় শত্রু ও মিত্র নির্ধারণের মানদণ্ড দিয়ে। বাংলাদেশে জনগণের রাজনৈতিক শত্রুদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা, সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্খার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবার জন্য জনগণের বন্ধুদের মধ্যে পথ ও কাজের কৌশলের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও মৈত্রীর পথ অনুসন্ধান, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে অর্থপূর্ণ করে বিশ্বব্যবস্খায় ইজ্জত নিয়ে বাঁচা, বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির পথে নেবার নীতি ও কৌশলের জায়গাগুলো পরিষ্কার করা­ ইত্যাদির মধ্য দিয়েই আমাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কয়েকটি বিষয়ে আমাদের চিন্তার ঐক্য দ্রুত আমাদের কাছাকাছি নিয়ে আসে। এক. পরাশক্তির হস্তক্ষেপে এবং বাংলাদেশের কয়েকটি গণমাধ্যম ও তথাকথিত সুশীলসমাজের মীরজাফরী বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, এদের রুখে দিতে হবে। যারা বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চাইছে সেই সকল গণশত্রুদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। দুই. বাংলাদেশকে ইসলামি সন্ত্রাসীদের ‘আখড়া’ প্রমাণ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ভারত বাংলাদেশকে আরেকটি আফগানিস্তান বানাতে চাইছে, তাকে রুখতে হবে। বিশেষত ভারতের শাসক শ্রেণী চাইছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আড়ালে ভারতের পূর্বাঞ্চলের স্বাধীনতা সংগ্রামকে নিশ্চিহ্ন করবার জন্য বাংলাদেশকে যুদ্ধের ময়দানে পরিণত করা। তিন. বাংলাদেশকে লুণ্ঠনের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করবার ক্ষেত্রে বহুজাতিক কম্পানি ও তাদের স্খানীয় দালালদের তৎপরতা রুখে দেওয়া। বলা বাহুল্য গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী প্রতিটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলে এই দালালরাই সবচেয়ে শক্তিশালী। এক কথায় গণশত্রুদের বিরুদ্ধে গণশক্তির বিকাশ ঘটানোর রাজনৈতিক কর্তব্যই আমাদের বন্ধুত্বের ভিত্তি তৈরি করেছে। শত্রুকে সুনির্দিষ্ট করা ও বìধুকে চেনার মধ্য দিয়েই আমরা পরস্পরকেও চিনেছি।<br />
ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের রাজনৈতিক দিক নিয়ে কথা বলছি কারণ এখন অনেকে আমার দেশ পত্রিকা ও মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারের আচরণের নিন্দা করছেন। কিন্তু অনেকে তাঁদের ব্যক্তিগত পাতি বুর্জোয়া অহঙ্কার কাটিয়ে উঠতে পারছেন না দেখে তাঁদের প্রতি আমার করুণা হচ্ছে। অনেকে দাবি করছেন মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে তাঁদের চিন্তা, জীবনবোধ ইত্যাদির নাকি পার্থক্য আছে। কী পার্থক্য? করুণা হয় এই কারণে যে তাঁরা খোলাসা করে বলতে পারছেন না কোথায় তাদের পার্থক্য। এই অহঙ্কারকে আমি পাতি বুর্জোয়া বলছি এই কারণে যে রাজনীতিতে শত্রুমিত্র নির্ধারণের প্রশ্ন ঠিক হয় ব্যক্তিগত মতপার্থক্য বা জীবনবোধ নিয়ে ভিন্ন অবস্খান দিয়ে নয়, বরং বর্তমানের রাজনৈতিক কর্তব্য চিহ্নিত করার মধ্য দিয়ে। সেই দিক থেকে ওপরে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে যে তিনটি অবস্খানের কথা বলছি, সেই অবস্খান নিয়ে বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক মিত্রদের সঙ্গে অবশ্যই তর্ক হতে পারে, কিম্বা নতুন প্রসঙ্গ যুক্ত হতে পারে। কিন্তু শত্রু নির্ধারনের প্রশ্নে যদি আমরা সুস্পষ্ট থাকি তাহলে ঠিক এই সময়ে, যখন ফ্যাসিবাদ তাঁর হিংস্র থাবা নিয়ে আমার দেশ ও মাহমুদুর রহমানকে ধ্বংস করতে উদ্যত তখন এই ‘ব্যক্তিগত’ মতপার্থক্যকের কেচ্ছা শোনানো শেয়াল পণ্ডিতের মতো হাস্যকর শোনায়। সরকারের নিন্দা তখন হিপোক্র্যাসি হয়ে ওঠে।<br />
প্রথম আলোয় মিডিয়া ভাবনায় মুহম্মদ জাহাঙ্গির লিখছেন, “পাঠক জানেন, আমার দেশ একটি বিরোধী দল সমর্থিত পত্রিকা। শুরু থেকেই পত্রিকাটি সরকারের নানা সমালোচনা করছে। বিরোধী দলের পত্রিকা যেমনটি হয়। তা ছাড়া পত্রিকাটি একটি বিশেষ বিরোধী দলের মুখপত্রের মতো সাংবাদিকতা করে থাকে। সংবাদপত্রে এ ধরনের ‘দলীয় মুখপত্র’ কতটা সমর্থনযোগ্য, সেটা ভিন্ন প্রশ্ন। সেই বিতর্ক হতেই পারে। কিন্তু দেশে যখন বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু রয়েছে, তখন ভিন্নমতের সংবাদপত্রকে সহ্য করতে সরকার বাধ্য। ভিন্নমতের সংবাদপত্র ও টিভি গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। সরকার আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ ঘোষণা করে গণতন্ত্রের প্রতি তাদের অঙ্গীকারের দুর্বলতাই প্রকাশ করেছে। আমার বিশ্বাস, সরকারের বহু সমর্থকও এই পদক্ষেপকে সমর্থন করতে পারছে না।”<br />
প্রশ্ন হোল, এক-এগারোর সময় প্রথম আলোর ভূমিকা এবং বাংলাদেশে জনগণের স্বার্থের বিবেচনায় প্রথম আলোর সাংবাদিকতার নীতি কি সমর্থনযোগ্য? আমরা কি সাংবাদিকতার নীতির বিচার নিয়ে এখন তর্ক করব? প্রথম আলো কার স্বার্থ রক্ষা করে? এখন আমার দেশ পত্রিকাকে দলীয় মুখপত্র বলে স্নেহভাজন জাহাঙ্গির তার বাকি কথাগুলোর ওজন কমিয়ে দিয়েছেন। একই তারিখে প্রথম আলোর সম্পাদকীয় সংযত হলেও আমরা একই সুর শুনি। তারা লিখেছেন, ‘আমার দেশ পত্রিকার মালিকানা, পুঁজি, মালিকানা বদল, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার নীতিমালা কতটা স্বচ্ছ কিংবা নীতিসম্মত ছিল, সে বিষয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিতর্ক। আমরা যে কারণে উদ্বিগ্ন তা হলো, ভিন্নমতকে জব্দ করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহারের বিষয়টি।’ বেশ।<br />
কথা হোল প্রশ্ন থাকতে পারে কার? কিসের? মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রথম আলোর ভূমিকা সম্পর্কে আমরা সচেতন ও সজ্ঞান। আমাদের সমাজ বিভক্ত। আমরা কেউ বাংলাদেশ রক্ষা করতে চাই, আর কেউ চায় তা ধ্বংস করতে। এখানে শত্রুমিত্রের বিভাজন তৈরি হয়। ভিন্নমতকে জব্দ করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহারের বিষয়টি উদ্বিগ্নের সন্দেহ নাই, কিন্তু ভিন্নমতকে জব্দ করতে প্রথম আলোকে কি ব্যবহার করা হয় নি? অবশ্যই হয়েছে। প্রথম আলো কি স্বেচ্ছায় অন্যের ভাড়া খাটে না? অবশ্যি খাটে। প্রথম আলোর সাংবাদিকতার নীতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন আছে। কথাটা বলছি বাধ্য হয়ে। কারণ প্রথম আলো কথাটা তুলতে চাইছে। আমাদেরও প্রশ্ন, সাংবাদিকতার নীতিমালা প্রথম আলোয় কতটা স্বচ্ছ কিংবা নীতিসম্মত?<br />
আমার দেশ পত্রিকার প্রেস সিলগালা করে বìধ করে দেওয়া, মধ্যরাতে বিরাট পুলিশ বাহিনী নিয়ে পত্রিকার সম্পাদককে গ্রেফতার করা, পত্রিকার প্রকাশককে তাঁর বাসা থেকে বিশেষ বাহিনী দিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া ও দুটি সাদা কাগজে প্রকাশকের সই নেওয়া তো মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকারের আমল থেকেই শুরু হয়েছে। প্রথম আলো ছিল সেই সরকারের সমর্থক। এক-এগারোর সেনাসমর্থিত বিশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কর্মকাণ্ডের কি সহযোগী ছিল না প্রথম আলো?<br />
তবু আমরা প্রথম আলোসহ গণমাধ্যমের এই অবস্খানের প্রশংসা করি। আমরা অতীতে ভুল করতে পারি। দেশ ও দশের স্বার্থে যথাসম্ভব সকলকে নিয়েই ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আমাদের মোকাবেলা করতে হবে। ঘটনার পর্যালোচনা এবং গণশক্তি পরিগঠনের প্রতি লক্ষ রেখে কোন দিকে আমাদের নজর নিবদ্ধ রাখতে হবে সেই দিকগুলো নির্দিষ্ট করাই এখন সকলের কাজ। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতার সঙ্গে নির্বাহী ও বিচার বিভাগের সম্পর্ক, সংবিধান ও আইনের মধ্যে পার্থক্য, বুর্জোয়া রাষ্ট্রে নাগরিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি এক দিকে প্রতিশ্রুতি অন্য দিকে দিকে তার লঙ্ঘন ইত্যাদি দিক কখনো স্পষ্ট আবার কখনো প্রচ্ছন্নভাবে ফুটে উঠেছে। আমার দেশ-এর ডিক্লারেশান বাতিল, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার, ওই পত্রিকার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে মামলা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে এই সম্পর্কগুলোকে যতটুকু সম্ভব আমাদের সবাইকেই বুঝতে হবে।<br />
আমার দেশ পত্রিকার আইনি গাফিলতির যে কাহিনী সরকার ও সরকারের সমর্থকরা বানিয়েছিলেন এবং গণমাধ্যমগুলো মাঝে মধ্যে যার প্রতিধ্বনি তুলছে, তাকে নাকচ করা দরকার। সংক্ষেপে সেই কাজ সম্পন্ন করবার জন্য আমি চিন্তা ওয়েবসাইটের (www.chintaa.com)) শরণাপন্ন হচ্ছি। তাঁদের তৈরি ঘটনাক্রমটাই আমি টুকছি। এবং তাঁদের বিশ্লেষণ।<br />
২৬ এপ্রিল ২০০৯ : ঢাকার জেলা প্রশাসককে আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেড চিঠি দিয়ে জানায় যে, কম্পানির বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কম্পানির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নিযুক্ত হয়েছেন। উল্লেখ্য, প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট ১৯৭৩-এর নিয়ম অনুযায়ী সম্পাদক নিয়োগ-প্রত্যাহার-বদল ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে জানাতে হয়।<br />
১৬ জুন ২০০৯ : জেলা প্রশাসনের তরফে ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেডকে জানান যে, নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের আপত্তি নেই।<br />
৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ : মুদ্রণালয়ের নিয়ন্ত্রক ও মুদ্রাকরের নাম বদলের জন্য কম্পানি আবেদন করে জেলা প্রশাসকের কাছে­ তিয়াত্তর সালের প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট অনুযায়ী। এবং আইনের বিধান অনুযায়ী এই বদলের বিষয়ে আদালতে ঘোষণাপত্র দেয়। একই সাথে পত্রিকার প্রকাশক বদল করে নতুন প্রকাশক হিশাবে মাহমুদুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টিও জেলা প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।<br />
১১ অক্টোবর ২০০৯ : এই দিন সাবেক প্রকাশক হাসমত আলী জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে গিয়ে আইনে নির্ধারিত ফরমে স্বাক্ষর করে ঘোষণা দেন যে, তিনি প্রকাশকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। (বিবিসির সাথে সাক্ষাৎকারে জেলা প্রশাসকের দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী)।<br />
৫ নভেম্বর ২০০৯ : চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর প্রকাশক বদল বিষয়ে এই দিন অনাপত্তিপত্র দেয়। অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদা খাতুন স্বাক্ষরিত ওই পত্রে বলা হয়, ‘আমার দেশ পত্রিকার প্রকাশক আলহাজ্ব মো: হাসমত আলীর পরিবর্তে জনাব মাহমুদুর রহমানের নাম প্রতিস্খাপন করার অনুমোদন দেয়া যেতে পারে।’<br />
১৫ মার্চ ২০১০ : এই দিন ঢাকার জেলা প্রশাসন এক চিঠিতে আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেডের কাছে জানতে চায় যে, দৈনিক আমার দেশের প্রিন্টার্স লাইনে কেন এখনো প্রকাশক হিশাবে হাসমত আলীর নাম ছাপা হচ্ছে? জবাবে আমার দেশ চিঠিতে জানায় যে, ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে জেলা প্রশাসনকে মুদ্রণালয়ের নিয়ন্ত্রক-মুদ্রাকর ও প্রকাশক বদল বিষয়ে জানানো হলেও এখনো এ বিষয়ে আপত্তি বা অনাপত্তি জানানো হয়নি। কাজেই প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট অনুযায়ী বাধ্যবাধকতা থাকার কারণে এখনো আগের প্রকাশকের নামই প্রিন্টার্স লাইনে ছাপা হচ্ছে। একই সাথে কম্পানি কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসনকে অনুরোধ জানায় খুব দ্রুত তাদের আবেদন নিষ্পত্তি করতে।<br />
১ জুন ২০১০ : এই দিন রাতে স্খানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার বাহিনী নিয়ে পত্রিকাটির তেজগাঁও শিল্প এলাকস্খ প্রেসে যান এবং প্রেসটি সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা করেন। যদিও সংবাদমাধ্যমকে তারা বলেন যে, পত্রিকাটির কোনো বৈধ প্রকাশক না থাকার কারণে পত্রিকাটির ডিক্লারেশন মানে প্রকাশনা বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন, ওই সময় তারা প্রকাশনা বাতিল করা বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মচারীদের বা বাইরে অপেক্ষারত সংবাদমাধ্যমকে দেখান নি। এই প্রতিবেদক ১ জুন দিবাগত রাত নয়টা থেকে শুরু করে ২ জুন ভোর পৌনে পাঁচটাতক পত্রিকাটির কাওরান বাজারস্খ বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগে হাজির ছিলেন, পুরো সময়ে কোনো আনুষ্ঠানিক দলিলপত্র পত্রিকার কার্যালয়ে পৌঁছায় নি জেলা প্রশাসন।<br />
এবং এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে, লিখিতভাবে ডিক্লারেশন বাতিল করার বিষয়ে পত্রিকাটিকে কিছুই জানায় নি প্রশাসন। অবশ্য বিবিসি রেডিওর বাংলা বিভাগকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ঢাকা জেলা প্রশাসক জনাব মুহিবুল হক কিছু বিষয়ে কথা বলেছেন। অতএব ‘সরকারের বক্তব্য’ কেবল এইটুকুই। সাক্ষাৎকারের প্রচারিত অংশের হুবহু পাণ্ডুলিপি তুলে দিচ্ছি।<br />
‘‘জেলা প্রশাসক : অ্যাকচুয়ালি আমার দেশ পত্রিকার বর্তমানে কোনো প্রকাশক নেই। নেই বলতে বৈধ কোনো প্রকাশক নেই। কোনো পত্রিকা যদি প্রকাশ করতে হয় তাহলে বৈধ যে আইনটা আছে, ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন ১৯৭৩-এর ৫ ধারা অনুযায়ী একজন প্রকাশক থাকতে হবে এবং ৭ ধারা অনুযায়ী তাকে আমাদের সাথে এখানে একটা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করতে হবে। এই পত্রিকার যে বৈধ প্রকাশক ছিলেন তিনি আমাদের অফিসে এসে স্বেচ্ছায় নির্ধারিত ফরমে স্বাক্ষর করে, উনি প্রকাশক হিশাবে অব্যাহতি নিয়েছেন।<br />
বিবিসি : এটা উনি কবে নিয়েছেন?<br />
উনি নিয়েছেন এগারো দশ দুই হাজার নয় তারিখে। পত্রিকাটার প্রকাশক ছিলেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ হাসমত আলী।<br />
এগারো দশ দুই হাজার নয় . . . আর এখন তো দুই হাজার দশ। তো এতদিন ধরে কী হলো­ মানে তখনি কি আপনারা কোনো কারণ জানতে চেয়েছিলেন আমার দেশ পত্রিকার তরফ থেকে, তাদের কাছ থেকে?<br />
হ্যাঁ, আমরা তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। অফিসিয়ালি আমরা তাদের চিঠি দিয়েছি। তারা আমাদেরকে রেসপন্স করেছে। তারা আমাদেরকে অফিসিয়ালি জানিয়েছে­ না, এই পত্রিকার আর কোনো প্রকাশক নেই, কাজেই এই পত্রিকা চলতে পারে না। এই কারণে আমরা পত্রিকাটা এখন বাতিল করে দিয়েছি, ঘোষণাটা বাতিল করে দিয়েছি।<br />
আমার দেশকে আপনারা যে চিঠি দিলেন, তার জবাবে তারা স্বীকার করলেন লিখিতভাবে যে তাদের কোনো প্রকাশক নেই?<br />
হ্যাঁ, তাদের কোনো প্রকাশক নেই। তারা জানিয়েছে তাদের প্রকাশক নেই।<br />
এবং এটা তারা কবে জানালেন?<br />
এটা তারা আমাদের জানিয়েছেন কয়েক দিন, কিছু দিন, কয়েক দিন আগে আমাদের।<br />
মানে আমার দেশের তরফ থেকে কারা তাহলে আপনাদের চিঠির জবাব দিলেন? মানে প্রকাশক যদি না থাকেন তাহলে কে সেই দায়িত্ব নিয়ে আপনাদের চিঠির জবাব দিলেন?<br />
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জবাব দিয়েছেন।<br />
আমার দেশ পত্রিকার তরফ থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে যে তারা এই প্রকাশক বদলের জন্য আপনাদের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। তো সেটার কি হলো?<br />
প্রকাশক বদলের জন্য নয়, যে মূল প্রকাশক ছিলেন উনি পদত্যাগ করেছেন আমাদের এখানে ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করে। এরপর আরেকজন প্রকাশক হতে চেয়েছিলেন সেটা আমাদের প্রক্রিয়ায় পড়েনি বলে তার আবেদনটা নামঞ্জুর করা হয়েছে। কাজেই এখন আমার দেশ পত্রিকার কোনো প্রকাশক নেই।<br />
আপনাদের পক্রিয়ায় পড়েনি মানে? মানে, নামঞ্জুরের প্রক্রিয়াটা যদি আমাদের একটু ব্যাখ্যা করেন …<br />
নামঞ্জুর করার পক্রিয়া হলো যে আমাদের যে আইনটা আছে, যে ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন অনুযায়ী আবেদন করেছিলেন, আবেদন করার পরে এটা আমরা তদন্তের জন্য পাঠাই, তদন্তে তার পক্ষে মতামত আসে নি। এই কারণে আমরা কোনো প্রকাশককে দিতে পারি নি যিনি আবেদন করেছিলেন। মাহমুদুর রহমান আবেদন করেছিলেন তাকে আমরা প্রকাশক নিযুক্ত করতে পারি নি।<br />
কেন তাকে…. তার আবেদন নামঞ্জুর করা হলো? মানে তদন্তে কী সমস্যা পাওয়া গেছে সেটা কি তাকে জানিয়েছেন বা সেটা কি বলা যাবে?<br />
আমরা অফিসে… আমরা অফিসিয়ালি চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছি। অনেকগুলো বিষয় উল্লেখ আছে। এতটা এই স্বল্প সময়ের ভিতরে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।<br />
এটা আপনারা কবে জানিয়ে দেন তাকে?<br />
আমরা আজকে জানিয়েছি।’’<br />
এত দীর্ঘ উদ্ধৃতি দেয়ার কারণ জেলা প্রশাসন এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সাথে যেসব আনুষ্ঠানিক পত্র বিনিময় হয়েছে দৈনিক আমার দেশের, সেই সব দলিলপত্র আমাদের কাছে আছে। অতএব সব পত্রিকাগুলোর কাছেও আছে। আছে সরকারের তরফ থেকে পাওয়া একমাত্র বক্তব্য­ এই সাক্ষাৎকারও। তাহলে এই সকল আইনি কেচ্ছা গাইবার কোনোই কারণ নাই। স্রেফ গায়ের জোরে, অসাংবিধানিক-অগণতান্ত্রিক ও আইনবহির্ভূতভাবে ফ্যাসিবাদী সরকার আমার দেশ বন্ধ করে দিয়েছে।<br />
বিবিসি’র প্রথম প্রশ্নের উত্তরে জেলা প্রশাসক স্বীকার করে নিচ্ছেন যে, ‘এগারো দশ দুই হাজার নয় তারিখে’ অর্থাৎ ১১ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে সাবেক প্রকাশক যথানিয়মে ইস্তফা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি যা লুকাচ্ছেন তা হলো­ সাবেক প্রকাশকের এই ইস্তফার প্রায় দেড় মাস আগে­ ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি মারফত জানিয়েছেন যে, কম্পানি প্রকাশক পদে বদল করেছে এবং এ বিষয়ে প্রশাসনের অনাপত্তির জন্য আবেদন করেছে। আগের এই আবেদনের কথা তিনি লুকাচ্ছেন এবং ওই আবেদনের সপক্ষে সাবেক প্রকাশকের দেয়া ইস্তফার কথাই কেবল বলছেন। তথ্য চেপে যাওয়ার পরে জেলা প্রশাসক জনাব মহিবুল হক এবার সরাসরি মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন; চতুর্থ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলছেন যে, ‘তারা জানিয়েছে তাদের প্রকাশক নেই’। অথচ ১৫ মার্চ দেয়া জেলা প্রশাসনের চিঠির জবাবে পত্রিকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে যে চিঠি দেয় সেখানে এমন কোনো কথা নাই। বরং সেই চিঠিতে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ আবারো জেলা প্রশাসনকে মনে করিয়ে দিয়েছিল যে, ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে তাদের দেয়া প্রকাশক বদল-সংক্রান্ত চিঠির বিষয়ে প্রশাসন কিছুই না জানানোর কারণে, আইন অনুযায়ী তারা সাবেক প্রকাশকের নাম লিখছেন। একই সাথে পত্রিকাটি অনুরোধ জানিয়েছিল যাতে খুব তাড়াতাড়ি এ বিষয়ে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু প্রকাশকের এই বদলে আপত্তি নাকি অনাপত্তি দেবে সেই বিষয়ে জনাব মুহিবুল হকের জেলা প্রশাসন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় নাই কিম্বা ১৫ মার্চের চিঠির জবাবের বিষয়েও কিছু জানায় নাই।<br />
এবং অবশেষে বর্তমান সরকারের ঢাকা জেলা প্রশাসক সাহেব বললেন, ‘আমরা আজকে জানিয়েছি’। ‘আজকে’ মানে ১ জুন ২০১০ তারিখে। অর্থাৎ দাঙ্গা পুলিশ পাঠিয়ে পত্রিকার প্রেস বìধ করে দেয়া এবং কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া বেআইনিভাবে পত্রিকা অফিসে ঢুকে, সাংবাদিকদের পিটিয়ে পরে সম্পাদককে ধরে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তারা জানালেন যে, ‘মাহমুদুর রহমান আবেদন করেছিলেন তাকে আমরা প্রকাশক নিযুক্ত করতে পারি নি।’ ‘অফিসিয়ালি’ কোনো চিঠি প্রশাসন পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে পৌঁছায় নি। অর্থাৎ সরকারের উচ্চস্তর থেকে পাওয়া হুকুম তামিল করতে স্রেফ বন্দুক আর লাঠির জোরে বলা হলো যে, পত্রিকার প্রকাশক নাই!<br />
জাতীয় সংসদে তথ্যমন্ত্রী ২ জুন জানিয়েছেন, ‘পত্রিকার ডিক্লারেশন বìধ করার দায়িত্ব ডিসির’। মন্ত্রী ঠিক বলেছেন। (এতটুকু বললে ঠিকই ছিল। উনিশ শো তিয়াত্তর সালের প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট অনুযায়ী ডিক্লারেশন ও রেজিস্ট্রেশনের দায়িত্ব ডিসি মানে ডেপুটি কমিশনার মানে জেলা প্রশাসকের ওপরেই বর্তায়। কিন্তু মন্ত্রী তার আগে বলেছেন, এই দায়িত্ব সরকারের না। তারপর বললেন দায়িত্ব ডিসির। মন্ত্রী কি কোনো বেসরকারি জেলা প্রশাসনের কথা জানেন নাকি? অথবা মন্ত্রী যদি ধরে নেন জেলা প্রশাসন সরকারের বাইরে তবে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সেটা ভয়ের কথা)। আইন অনুযায়ী পত্রিকার প্রকাশনার ঘোষণা মানে ডিক্লারেশনসহ ইত্যাদি তদারকির দায়িত্ব হচ্ছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের।<br />
কিন্তু প্রকাশক বদলের জন্য গত বছরের সেপ্টেম্বরে দৈনিক আমার দেশের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে যখন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে, গোয়েন্দা বিভাগ থেকে অনাপত্তি দেয়া হলো, তার পরও যখন ঢাকা জেলা প্রশাসন অনাপত্তি দিচ্ছিলো না, তখন পত্রিকাটির পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে প্রশাসন জানিয়েছিল বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিবেচনাধীন আছে, সেখান থেকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দৈনিকটির ওই আবেদন বিবেচনাধীন থাকার কথা ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা সংবাদমাধ্যমের কাছেও স্বীকার করেছেন, নাম প্রকাশ না করার শর্তে। তো, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কি ঢাকা জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়েছেন? তিনি কি এ দায়িত্ব সম্পাদনের নজির রাখা শুরু করলেন আমার দেশকে দিয়ে?<br />
সারা দেশ এখন আদালতের ভূমিকার দিকে তাকিয়ে আছে। আশা করি আদালত ফ্যাসিবাদী সরকারকে সংবিধান ও আইনের মধ্যে উপযুক্ত জবাব দেবেন।<br />
২০ জৈষ্ঠ ১৪১৭। ৩ জুন ২০১০। শ্যামলী।<br />
ইমেইল : farhadmazhar@hotmail.com</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://abortonbd.com/?feed=rss2&amp;p=4</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
